অনন্য উচ্চতায় মানুষ গড়ার কারিগর ‘অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল’

সারাদেশ

বিশেষ প্রতিনিধি, চরফ্যাশন, ভোলা:-
অধ্যক্ষ মাওলানা মো: মোস্তফা কামাল ১৯৬৭ সালে চরফ্যাসন উপজেলার এওয়াজপুর ইউনিয়নের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা মৌলভী মুসলিম ও দাদা মকবুল আহম্মেদ। তিনি ২ ছেলে ও ২ মেয়ের জনক। তার বড় ছেলে আর্ন্তজাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে অধ্যয়নরত থাকা কালীন ২০১৫ ইং সালের ২৯ জানুয়ারি ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ থেকে সাদা পোষাক ধারী ডিবি পরিচয়ে তুলে নিয়ে ক্রসফয়ার নাটকের মাধ্যমে হত্যা করেন। ২য় সন্তান ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া কামিল মাদরাসায় অধ্যয়নরত। তার ১ম জামাতা সহকারী অধ্যাপক ও ২য় জামাতা সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।

অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ১৯৮৯ সালে ভোলা জেলার ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোলা দারুল হাদিস কামিল মাদরাসা থেকে কৃতিত্বের সাথে কামিল পাশ করেন। বর্তমানে এওয়াজপুর অজুফিয়া আলিম মাদ্রাসায় অধ্যক্ষ হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল একাধারে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের চরফ্যাসন উপজেলা সভাপতি, ভোলা শহর শাখা সভাপতি ও সর্বশেষ ভোলা জেলা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ১৯৯২ সালে ছাত্র জীবন শেষ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন। জামায়াতে ইসলামীর ইউনিয়ন সভাপতি, উপজেলা আমীর, জেলা আমীর হিসেবে (২০১৫-২০২২) সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন শেষে বর্তমানে বরিশাল অঞ্চল টীম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০১৪ সালে চরফ্যাশন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারনে আওয়ামী লীগের কর্মীরা তাকে হত্যার উদ্দ্যেশে অপহরন করে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সীমাহীন জুলুম, নির্যাতন, চাকুরীচ্যুতি, সন্তান হারানো সহ অসংখ্য মামলার আসামী হয়ে দীর্ঘদিন কারাবন্দী ছিলেন।
সন্তান হারা মজলুম জননেতা অধ্যক্ষ মাওলানা মোস্তফা কামাল ভোলা-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন।
তিনি ইতিমধ্যে ভোলা-৪ আসনে জনগনের উদ্দেশ্যে তার নির্বাচনী ইশতিহারে বলেছেন,

চরফ্যাসন ও মনপুরা উপজেলাকে একটি শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

নদী ভাঙ্গন রোধ ও উপকূলীয় অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতিকরণ করা হবে।

উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ ও মনপুরা উপজেলার মানুষের চিকিৎসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে।

চরফ্যাসন ও মনপুরা অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নতিকরণ করা হবে।

মনপুরা উপজেলাকে জাতীয় গ্রীডের আওতায় আনা হবে।

অবহেলিত/বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা করা হবে।

সন্ত্রাস দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত সমাজ বিনির্মাণ করা হবে।

চরফ্যাসন ও মনপুরা অঞ্চলকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।

কৃষি ব্যবস্থার উন্নতি করণে চরফ্যাসন ও মনপুরা অঞ্চলে আলাদা আলাদা কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত চরফ্যাসন ও মনপুরা গড়ে তুলতে সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রচেষ্টা করা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *